খুবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বশেমুরবিপ্রবিতে মানববন্ধন


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৪, ২০২১, ৩:০১ অপরাহ্ন / ১৪৩
খুবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বশেমুরবিপ্রবিতে মানববন্ধন

ক্যাম্পাস ডেস্কঃ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং তিন শিক্ষককে অপসারণের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি)শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে এ মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বহিষ্কার আদেশ ও অপসারণ প্রত্যাহারের দাবি এবং অনশনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানান।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মুক্ত বিদ্যা চিন্তার সূতিকাগার। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ হলো শিক্ষার্থী আর জাতির মেরুদণ্ড বলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। তিনজন শিক্ষক প্রাণ খুঁজে পেয়েছিলেন শিক্ষার্থীদের অধিকারের মাধ্যমে এবং তারা তাদের অধিকার আদায়ে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আমরা দেখতে পাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্থানে যিনি বসে আছেন তিনি ক্ষমতার প্রভাব ঘটিয়ে ৩জন শিক্ষক এবং দুইজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করছেন। আজকে জাতির গবেষণা, উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে যাদের ভুমিকা থাকে তারা শিক্ষক। কিন্তু ছোট একটা অধিকার সমর্থনের জন্য যদি শিক্ষকদের কর্মজীবন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় তাহলে কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের দেশ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নীতিনির্ধারকদের অবস্থা। তারা এমন নেককার জনক ঘটনা থেকে ২ জন শিক্ষার্থী এবং তিনজন শিক্ষককে বহিষ্কার থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, একরকম বহিষ্কৃত সংস্কৃতি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য অশনী সংকেত এজন্য আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেন অনুগ্রহপূর্বক শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব অবস্থানে ফিরিয়ে আনার জন্য। আর যদি তা না হয় তাহলে সারা বাংলাদেশে যত শিক্ষক- শিক্ষার্থী, সমাজ সহ একত্রিত হয়ে এর প্রতিবাদে ফেঁসে ফেটে উঠবে।

উল্লেখ্য , দুই শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণ ও তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে সম্প্রতি দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানানোসহ আন্দোলনের সময় প্রশাসনের সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে গত ১৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিন্ডিকেট মিটিংয়ে ৩ শিক্ষককেও অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।