বশেমুরবিপ্রবিতে আপগ্রেডেশনের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৩, ২০২০, ৩:৪৮ অপরাহ্ন / ১৯৮
বশেমুরবিপ্রবিতে আপগ্রেডেশনের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

ক্যাম্পাস ডেস্কঃ

প্রাপ্যতার তারিখ থেকে আর্থিক সুবিধাসহ আপগ্রেডেশন, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত আপগ্রেডেশন নিয়ে টালবাহানা এবং অহেতুক সময় ক্ষেপনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সম্মুখ গেটে ঘন্টাব্যাপী শিক্ষক সমিতির ব্যানারে মানববন্ধন করেন সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ। পরে শিক্ষক লাউঞ্জে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড হাসিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষক অংশ নেয়। এসময় তারা শিক্ষকদের আপগ্রেডেশনের বিষয় সহ নানা জটিলতার কথা তুলে ধরে। শিক্ষকরা বলেন, একসাথে ৩-৪ বছর ধরে ১৫০ জন শিক্ষকের পদোন্নতি কোথাও থেমে নেই। শিক্ষকদের স্থান ক্লাসরুমে, রাস্তায় নয়। কিন্তু আমরা আজ রাস্তায়। আমরা কোনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা চায় না। আমরা চায় নিয়মতান্ত্রিক ভাবে আমাদের প্রোমোশন দেওয়া হোক।

মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. হাসিবুর রহমান বলেন, শিক্ষকরা আজ সব থেকে অবহেলিত। বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে আমরা অবহেলিত হতে চায় না। এমন কোনো আন্দোলনে আমরা যাবো না, যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয় কলঙ্কিত হয়।
তিনি শিক্ষকদের দাবি আলোচনার মাধ্যমে মেনে নিয়ে ক্যাম্পাসে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ২-৩ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে রিজেন্ট বোর্ড হয়নি। যার কারণে শিক্ষকরা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। এটা একটা বড় সংকট। এই সংকট নিরসনের আহবান জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, উপাচার্যের সাথে আমরা প্রতি মাসে ২ বার করে দেখা করেছি। প্রত্যেকবারই তিনি আপগ্রেডেশনের বিষয়ে কমিটি গঠন করে সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু এখনো আমরা কোনো সমাধান পায়নি। যার কারণে আমরা আজ মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বলেন, আপগ্রেডেশনের বিষয়ে উপাচার্যের সাথে আলোচনা করেও কোনো সমাধান পায়নি। তিনি আরো বলেন, ২৭ থেকে ২৯ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে প্রতিদিন এক ঘন্টা করে আমরা অবস্থান কর্মসূচী করবো।