বাঁধনের ২৩ বছর পূর্তি, বশেমুরবিপ্রবি শাখার উদযাপন


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৫, ২০২০, ২:২৬ অপরাহ্ন / ২২৬
বাঁধনের ২৩ বছর পূর্তি, বশেমুরবিপ্রবি শাখার উদযাপন

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

বাঁধন (স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন) এর তেইশ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটে করোনা পরিস্থিতির কারনে সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু কার্যক্রম পালিত হয়েছে।

শনিবার বিকাল তিনটা থেকে বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটে কিছু কার্যক্রম পালিত হয়।কার্যক্রমগুলো হলো কেক কাটা, কিছু প্ল্যাকার্ড এর মাধ্যমে স্থিরচিত্র সংগ্রহ, বাঁধনের পথচলা নিয়ে আলোচনা সভা এবং তেইশ বছর পূর্তিতে তেইশ টি বৃক্ষরোপণ।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাউন্টিং এ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ এর সহকারী অধ্যাপক মোঃ ফায়েকুজ্জামান মিয়া , বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটের উপদেষ্টা শশী প্রাসাদ শীল এবং রাসেল আহমেদ খান,বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটের জোনাল প্রতিনিধি সাকিব হোসেন হৃদয়, সহ-সভাপতি সোনিয়া সুলতানা টুম্পা এবং সহ-সাধারন সম্পাদক সাব্বির খান আকাশ।এছাড়াও এ অনুষ্ঠানের আহবায়ক হিসাবে ছিলেন মো.শাহ-আলম এবং যুগ্ম আহবায়ক আল আমিন বিশ্বাস এবং বিভিন্ন রক্তদাতা সদস্য এবং কর্মীগণ।

বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটের উপদেষ্টা রাসেল আহমেদ খান বলেন,’বাঁধন এর তেইশ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সকল বাঁধন কর্মী, রক্তদাতা সদস্য এবং শুভ্যানুধ্যায়ীদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।বাঁধনের জন্মদিনে একটাই চাওয়া, বাংলাদেশের কোন মানুষ যেন রক্তের অভাবে মারা না যায়।আমরা সেদিনের স্বপ্ন দেখি যেদিন বাংলাদেশের সকল মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসবে এবং মানবতার সুন্দরতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।সহস্র শুভকামনায় এগিয়ে যাক বাঁধন।’

বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটের জোনাল প্রতিনিধি সাকিব হোসেন হৃদয় বলেন,”একের রক্ত অন্যের জীবন, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন”- এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাঁধনের জন্ম হয়। হাটি হাটি পা পা করে আজ বাঁধন তেইশ বছর পূর্তি উদযাপন করলো যা অত্যন্ত গর্বের। বাঁধনের সকল উপদেষ্টা, কর্মী ও যারা বাঁধনের প্রাণ সেসব সম্মানিত রক্তদাতা সদস্য সকলের জন্যই আজকের দিনটি অত্যন্ত আনন্দের। এই বাঁধন কিন্তু সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় অনেক মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন যুগিয়েছে, সেই সাথে লক্ষ লক্ষ মানুষকে রক্তদানের মতো মহতী কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। আমি মনে করি প্রত্যেকটি বাঁধন কর্মী বাঁধনের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবে। যেই লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে বাঁধনের পথ চলা – মানুষকে রক্তদানে উৎসাহিত করা, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা ও জরুরী প্রয়োজনে রক্ত সরবরাহ করা এবং যে কোনো দুর্যোগ মহামারীতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সেটি আজীবন অক্ষুণ্ন থাকবে।’

এছাড়াও তিনি বলেন,’ আমরা স্বপ্ন দেখি সেদিনের, যেদিন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ তার নিজ রক্তের গ্রুপ জানবে এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসবে।’

উল্লেখ্য, বাঁধন হলো স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন। ১৯৯৭ সালের ২৪ অক্টোবর যাত্রা শুরু হয়ে বর্তমানে ৫৩ টি জেলায় ৭৫ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাঁধন এর কার্যক্রম এর মাধ্যমে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছে । আর ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ বাঁধন বশেমুরবিপ্রবি ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়। জন্মদিনে সকলের প্রত্যাশা রক্তদান একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে উঠুক।