হাম ও রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে ২০২০-২০২১


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২২, ২০২০, ৪:৩৫ অপরাহ্ন / ১৪১
হাম ও রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে ২০২০-২০২১

সারা দেশে ১৮ মার্চ থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে। শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া টিকাদান কেন্দ্রে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে।

জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২০, ১২ই ডিসেম্বর থেকে ২৪ জানুয়ারি-২০২১ পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন অব্যাহত থাকবে। এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, তিন সপ্তাহব্যাপী সারা দেশে পরিচালিত হতে যাচ্ছে জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২০। এর উদ্দেশ্য, ৯ মাস থেকে ১০ বছরের নিচের সব শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা দেওয়ার মাধ্যমে হাম-রুবেলা রোগের বিস্তার দ্রুত হ্রাস করা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাম রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ২০০৬ সালে ক্যাচ আপ কর্মসূচি নেওয়া হয়। ২০১০ সালে ফলোআপ ক্যাম্পেইন করা হয়েছিল। এর ফলে হামের প্রভাব অনেক কমে গিয়েছিল। ২০১২ সালে থেকে রুবেলা নিয়ন্ত্রণে হামের টিকার সঙ্গে রুবেলা টিকা সংযোজন করে এমআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। ২০১৪ সালে হাম-রুবেলা দূর করার জন্য এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। কিন্তু রোগ নিরীক্ষণ তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সাল থেকে দেশে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ে।

জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনটি দুই ভাগে পরিচালিত হবে। প্রথম ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে ১৮ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ। সারা দেশের ১ লাখ ৭৩ হাজার ২৮৯টি বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি বা সমপর্যায়ে পর্যন্ত অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের এক ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হবে। আর দ্বিতীয় ক্যাম্পেইনটি পরিচালিত হবে ২৮ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৪৪টি নিয়মিত, স্থায়ী ও অতিরিক্ত টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে কমিউনিটির উদ্দিষ্ট শিশু এবং যারা বিদ্যালয়ে যায় না বা প্রথম সপ্তাহে বিদ্যালয় টিকা নেয়নি, তাদের ১ ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হবে।

জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২০ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক সৈয়দ সফি আহমেদ মুয়াজ, এমএনসিঅ্যান্ডএএইচের লাইন ডিরেক্টর চিকিৎসক মো. শামসুল হক, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার চিকিৎসক মাওলা বকস চৌধুরী এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি।